[Poem][newsticker]
April 2022


 Eid Mubarak wishes and good tidings prove to be useful for two significant Muslim occasions. Eid al-Fitr marks the finish of the Ramadan quick, and Eid al-Adha observes Ibrahim's readiness to forfeit his firstborn child. The customary hello for each is basically "Eid Mubarak," however to kick your kindly words up an indent during the current year's galas, we take care of you for certain plans to kick off your creative mind and mindfulness. Your Muslim companions, family and friends and family will see the value in your endeavors to respect their confidence and regard their way of life.

 

A List of UK Mosques Open for Eid Salah for Muslim Women

Eid Mubarak Wishes

1. Eid Mubarak!

2. May Allah grant all of your wishes this Eid.

3. May your Eid be as sweet as the sugar you can finally have now!

4. Wishing you joy this Eid.

5. May your feast be abundant this Eid!

6. Sending you thoughts of prosperity for Eid and forever.

7. May your Eid be full of love, laughter and light.

8. May the joy and abundance of Eid remind us to practice gratitude.

9. May your Eid be blissful and bright.

10. Show your sparkle this Eid!

11. May your Eid be meaningful and merry.

12. Sending wishes of peace this Eid.

13. Eid Mubarak to you and your loved ones.

14. Eid reminds us of just how delicious life can be.

15. Eid Mubarak to you and your family.

16. Here’s hoping for a fulfilling Eid after a long fast.

17. May your Eid be sweet indeed.

18. Indulge yourself this Eid. You’ve earned it!

19. Treat yourself this Eid.

20. May Eid bring you and your loved ones all the delights you’ve been craving.

21. Here’s hoping Eid brings you all the goodies you deserve.

22. Honor yourself and your sacrifices this Eid.

23. Don’t forget to honor Allah this Eid.

24. May Allah spoil you with blessings this Eid.

25. May you feel the magic of Eid all year.

26. Savor the joys of Eid.

27. I hope you make many happy memories this Eid.

28. May the memories of this joyous Eid carry you through your trials and tribulations later.

29. Sending you love and light this Eid.

30. May Allah bless you and your family. Eid Mubarak!

31. May your Eid feast leave you full of faith as well as food.

32. Sending you all my love this Eid.

33. May Allah fill your heart with joy this Eid.

34.Let Eid fill your heart with love and your belly with deliciousness.

35. Remember to practice gratitude this Eid.

36. Eid reminds us to be grateful for the love in our lives.

37. Sending you all my love this Eid.

38. Wishing you and your loved ones a heartwarming Eid.

39. May Allah guide you and light your path always. Eid Mubarak!

40. May Allah bless you with wisdom, grace, and good humor this Eid.

41. Let the festivities this Eid remind you of all the goodness life has to offer.

42. Wishing you and your family light and joy this Eid.

43. I hope your Eid is as sweet as you are.

44. May your blessings be abundant this Eid.

45. May you enjoy and savor your most indulgent tastes this Eid.

46. May Allah bless you with millions of reasons to be happy this Eid and always.

47. Enjoy this day of Allah!

48. May all the light of heaven shine on you and your loved ones this Eid.

49. Wishing you health and wealth this Eid.

50. We are praying for your joy and health this Eid.

51. May Allah answer all of your prayers this Eid.

52. Accept Allah with an open heart and mind this Eid.

53. Remember this Eid that Allah walks beside you always.

54. Your presence is a gift this Eid.

55. When deciding what to wear this Eid, remember that the best garment is the garment of righteousness.

56. Place your trust in Allah this Eid.

57. Eid is a time for sharing and caring.

58. We are so thankful for you this Eid!

59. May your Eid live up to your ideals.

60. May the only tears shed on Eid be those of joy and laughter.

61. Wishing you a vibrant and joyous Eid.

62. May you and your family be blessed with all the gifts of Allah this Eid.

63. Eid reminds us that the greatest treasures aren’t tangible.

64. Eid is a time for hope and grace.

65. May Allah forgive our sins and acknowledge our sacrifices this Eid.

66. This Eid, I hope you and your family feel Allah’s warm presence bless your home.

67. May Allah open all doors for you.

68. We hope Allah showers you and your loved ones with blessings.

69. I hope Eid brings you all the fun and festivity you deserve.

70. On Eid, remember that Allah’s presence is a gift.

71. May your Eid be as amazing as Allah.

72. May your bond with Allah grow even stronger this Eid.

73. Let your faith guide you this Eid and always.

74. I wish you an Eid full of smiles and sweet treats.

75. May we all remember this Eid to show forgiveness, speak for justice and avoid the ignor



যাকাত কখন দিতে হয় : 

যাকাত দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই, না থাকলেও রমজান মাসই যাকাত আদায়ের সর্বোত্তম সময়। ফলে বিত্তবানেরা দান-সদকা ও যাকাত কিংবা ফিতরা প্রদানে উৎসাহিত হয়।

রমজান মাসে দান-সাদকা করলে অন্য সময়ের চেয়ে ৭০ গুণ বেশি নেকি হয়।  তাই রমজান মাসে রোজাদার মুসলমানরা একসাথে গরিবের হক যাকাত ও ফিতরা—এ দুটি আর্থিক ইবাদত করে থাকেন। 



যাকাত ফরয হওয়ার মৌলিক শর্ত :

 যাকাত ফরয হওয়ার জন্য কয়েকটি মৌলিক শর্ত রয়েছে। যথা

() মুসলিম হওয়া : কোনো কাফেরের উপর যাকাত ফরয নয়। যাকাত শুধু মুসলিমদের উপর ফরয।

() স্বাধীন হওয়া : গোলাম বা ক্রীতদাসের উপর যাকাত ফরয নয়। কেননা তারা সাধারণত সম্পদের মালিক হতে পারে না। বরং তাদের সবকিছুই অন্যের অধীন।

() নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া : কোনো ব্যক্তির উপর যাকাত ফরয হওয়ার জন্য নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া আবশ্যক।

স্বর্ণের হিসাব অনুযায়ী সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা ৮৫ গ্রাম, যার ২২ ক্যারেটের হিসাব অনুযায়ী বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ,৫০,০০০ (সাড়ে চার লক্ষ) টাকা অথবা রৌপ্যের হিসাব অনুযায়ী সাড়ে বায়ান্ন ভরি বা ৫৯৫ গ্রাম, যার ২২ ক্যারেটের হিসাব অনুযায়ী বর্তমান বাজারমূল্য

প্রায় ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা তৎসম পরিমাণ মূল্য ,৫০,০০০ (সাড়ে চার লক্ষ) টাকার অথবা ৫২. ভরি রৌপ্য বা তৎসম পরিমাণ মূল্য ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা। টাকার মালিক হলে তার উপর যাকাত ফরয।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরী যে, ব্যক্তি রৌপ্যের হিসাব অনুযায়ী যাকাত দিবে, না-কি স্বর্ণের হিসাব অনুযায়ী যাকাত দিবেবিষয়টি তার ইচ্ছাধীন। চাইলে সে রৌপ্যের হিসাব অনুযায়ী সাড়ে বায়ান্ন ভরি রৌপ্য বর্তমান বাজারে এর সমমূল্য ৪০,০০০ টাকার মালিক হলে নিজের উপর যাকাত ফরয মনে করে যাকাত বের করতে পারে। অথবা সে অপেক্ষা করতে পারে স্বর্ণের হিসাব অনুযায়ী নিজের উপর যাকাত ফরয হওয়া পর্যন্ত তথা বর্তমান বাজারে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণের সমমূল্য ,৫০,০০০ টাকার মালিক হওয়া পর্যন্ত। মনে রাখতে হবে যে, যাকাত বের করার বিষয়ে ব্যক্তি স্বর্ণ বা রৌপ্যের যে কোনো পদ্ধতিতে যাকাত হিসাব করতে পারবে। তবে ফকীর-মিসকীনের হক্বের প্রতি লক্ষ রেখে রৌপ্যের হিসাব অনুযায়ী যাকাত বের করাই শ্রেয়।

 () সম্পদের এক বছর অতিবাহিত হওয়া : যেদিন ব্যক্তি নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, সেদিন থেকে এক চন্দ্র বছর তাকে হিসাব করতে হবে। এর পর থেকে প্রতি বছর ওই একই তারিখে তাকে যাকাত বের করতে হবে।

 ১ লক্ষ টাকার যাকাত কত ২০২

যাকাত শতকরা ২.৫টাকা। সেই হিসেবে ১লক্ষ টাকায় ২৫০০টাকা যাকাত আদায় করতে হবে।


স্বর্ণের যাকাতের হিসাব : 
হাদীসে বর্ণিত আছে, ১ দিনার সমান ৪.২৫ গ্রাম স্বর্ণ। অতএব, ২০ দিনার সমান (২০×৪.২৫)=৮৫ গ্রাম স্বর্ণ। এক ভরি সমান ১১.৬৬ গ্রাম হলে, ৮৫ গ্রাম স্বর্ণে (৮৫÷১১.৬৬)=৭.২৯ ভুরি স্বর্ণ। অর্থাৎ কারো কাছে প্রায় সাড়ে ৭ ভরি পরিমাণ স্বর্ণ এক বছর যাবত থাকলে তার ওপর বর্তমান বাজার মূল্যের দাম হিসাব করে মোট মুল্যে ২.৫০% যাকাত দেয়া লাগবে আর এটা মুসলমানদের জন্য ফরজ। 


স্বর্ণের যাকাত: 
একজন ব্যক্তির মালিকানায় যে ক্যারেটের স্বর্ণ রয়েছে সেই ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের বাজার দর জানতে হবে। সে ব্যক্তির যদি একাধিক ক্যারেটের স্বর্ণ থাকে, তবে অধিক পরিমাণে স্বর্ণ থাকলে প্রত্যেক ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য আলাদা করে জানতে হবে। আর পরিমাণ কম হলে যে ক্যারেটের স্বর্ণ বেশি আছে তার বাজার দর জানতে হবে। অতঃপর একগ্রাম স্বর্ণের মূল্যকে তার কাছে যে ক’গ্রাম স্বর্ণ রয়েছে তার সংখ্যা দিয়ে গুন দিতে হবে। এভাবে স্বর্ণের গ্রামকে মুদ্রায় পরিণত করতে হবে, অতঃপর মোট মূল্য থেকে ২.৫% যাকাত হিসেবে বের করতে হবে। এটিই স্বর্ণের যাকাত। 





যেসব সম্পদের উপর যাকাত ফরজঃ 
ইসলামের আইনে কোনো ব্যক্তির মালিকানাধীন সম্পদের পরিমাণের ভিত্তিতেই যাকাত নির্ধারণ করা হয়। আর যাকাত প্রযোজ্য হয় এমন প্রধান প্রধান সম্পদগুলোর উপর সেগুলো হলোঃ 
 ১) স্বর্ণ-রৌপ্য 
 ২) নগদ অর্থ 
 ৩) গবাদিপশু 
 ৪) ফসল ও সব ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য 
 ৫) স্বর্ণ ও রৌপ্য (অলঙ্কার)

 


বছর ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ হাজার ৩১০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটি হার নির্ধারণ করেছে। গত 9 এপ্রিল শনিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

 

গত বছর জনপ্রতি ফিতরার হার সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ হাজার ৩১০ টাকা ছিল। নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে মুসলমান নারী-পুরুষের সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগেই ফিতরা আদায় করতে হয়।



দৈনন্দিন জীবনে ফেসবুক খুবই জরুরী হয়ে উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই প্ল্যাটফর্ম আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যবহার করে বন্ধু, পরিবার বা কাছের মানুষজনের খবর জানা যায়। ফেসবুকে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা হয় বলে এটা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা তৈরী করে।

ফেসবুকরে মাধ্যমে দুষ্টু মানুষ লুকিয়ে লুকিয়ে অনুসরণ করতে পারে।  এসব ব্যক্তি প্রোফাইল ঘুরে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে ফেইক একাউন্ট তৈরী করতে প্রোফাইল থেকে ছবি চুরি করে।

অনেকেই অপরিচিত লোকজনকে ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ব্যক্তিগত তথ্য দেখাতে অনিচ্ছুক থাকেন। কিন্তু সাধারণত ফেসবুক প্রোফাইলে কিছু কিছু তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে। তবে আপনি চাইলে ফেসবুক প্রোফাইলের তথ্য অপরিচিত লোকজনকে দেখানো একদম কমিয়ে আনতে পারেন।


আপনি কি আপনার ফেসবুক একাউন্টের জন্য সর্বোচ্চ প্রাইভেসি চান? তাহলে ফেসবুকের নিরাপত্তা সম্পর্কিত ফিচার, “ফেসবুক প্রোফাইল লকচালু করতে পারেন। এই ফিচার ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইলের উপর বাড়তি নিয়ন্ত্রণ পাবেন ব্যবহারকারীগণ। অপরিচিত ব্যক্তি বা অনুসরণকারী থেকে প্রোফাইলকে নিরাপদ রাখতে ফেসবুক প্রোফাইল লক ব্যবহার করা যেতে পারে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক অ্যান্ড্রয়েড, আইফোন কম্পিউটারে ব্রাউজারে কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল লক করতে হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত। আমরা আরো জানবো ফেসবুক প্রোফাইল লক করার সুবিধাসমূহ সম্পর্কে।

ফেসবুক প্রোফাইল লক করলে কি হয়? 

ফেসবুক প্রোফাইল লক ফিচার চালু করে একজন ব্যবহারকারী ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরের ব্যক্তিদের চোখ থেকে একাউন্টের অধিকাংশ তথ্য গোপন করতে পারেন। ফেসবুক প্রোফাইল লক করার পর ফেসবুকে ফ্রেন্ড হিসেবে এড নেই এমন ব্যক্তি প্রোফাইলের সম্পূর্ণ ভার্সন দেখতে পাবেন না। অর্থাৎ কোনো ছবি বা পোস্ট দেখা কিংবা ডাউনলোড করা যাবেনা ফ্রেন্ড না হলে।

এছাড়াও প্রোফাইলে পোস্ট করা স্টোরি ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরের কেউ দেখতে পারবেনা প্রোফাইল লক থাকলে। আবার পূর্বে শেয়ার করা “Public” প্রাইভেসি সেটিংস থাকা পোস্টের প্রাইভেসি “Friends” হয়ে যাবে। অর্থাৎ ফেসবুক প্রোফাইল লক করলেঃ

                  শুধুমাত্র ফেসবুক ফ্রেন্ডগণ প্রোফাইলে পোস্ট করা ছবি বা পোস্টসমূহ দেখতে পাবেন

                  শুধুমাত্র ফেসবুকে এড থাকা বন্ধুগণ সম্পূর্ণ প্রোফাইল পিকচার কভার ফটো দেখতে পাবেন

                  “Public” প্রাইভেসি সেটিংস থাকা পোস্টের প্রাইভেসি “Friends” পরিণত হবে

                  শুধুমাত্র ফেসবুকে এড থাকা ফ্রেন্ডগণ পোস্ট করা স্টোরি দেখতে পারবেন

                  প্রোফাইল রিভিউ ট্যাগ রিভিউ চালু হয়ে যাবে

                  নতুন পোস্ট শুধুমাত্র বন্ধুদের টাইমলাইনে পৌঁছে যাবে


ফেসবুক প্রোফাইল লক করলে কি হয়, তা তো জানা গেলো। এবার জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল লক করতে হয়। এই পোস্টে মোবাইল কম্পিউটার থেকে ফেসবুক একাউন্ট লক করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন।

কম্পিউটার থেকে ফেসবুক প্রোফাইল লক করার নিয়ম

 


 

কম্পিউটার থেকে যেকোনো ব্রাউজার ব্যবহার করে ফেসবুক প্রোফাইল লক করা যাবে। কম্পিউটার থেকে ফেসবুক প্রোফাইল লক করতেঃ

               ব্রাউজার থেকে Facebook.com লিংকে প্রবেশ করুন

               ফেসবুক একাউন্টে লগিন করা না থাকলে লগিন করুন

               মেন্যুতে থাকা ফেসবুক প্রোফাইলের নাম ও ছবিযুক্ত অপশনে ক্লিক করুন

               থ্রি-ডট মেন্যুতে ক্লিক করুন ও “Lock Profile” অপশন সিলেক্ট করুন

               এরপর একটি পপ-আপ মেসেজে প্রোফাইল লক কিভাবে কাজ করে তা দেখতে পাবেন

               ফেসবুক প্রোফাইল লক করতে “Lock Your Profile” বাটনে ক্লিক করুন



মোবাইলে ফেসবুক প্রোফাইল লক করার নিয়ম

ফেসবুক এর অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ থেকে খুব সহজে ফেসবুক প্রোফাইল লক করা যাবে। ফেসবুক অ্যাপ থেকে ফেসবুক প্রোফাইল লক করতেঃ

               ফেসবুক অ্যাপ ওপেন করে নিজের প্রোফাইলে প্রবেশ করুন

               “Edit Profile / Add To Story” এর পাশে থাকা থ্রি-ডট মেন্যুতে ট্যাপ করুন

               Lock Profile অপশন সিলেট করুন, প্রোফাইল লক পেজ দেখতে পাবেন

               ফেসবুক প্রোফাইল লক কনফার্ম করতে “Lock Your Profile” এ ট্যাপ করুন

 


 #how to unlock Facebook

ফেসবুক প্রোফাইল আনলক করার নিয়ম

ফেসবুক প্রোফাইল লক করার পর নিজের ইচ্ছামত যেকোনো সময় প্রোফাইল আনলক ও করা যাবে। লক করা ফেসবুক প্রোফাইল আনলক করতেঃ

               ব্রাউজার থেকে Facebook.com কিংবা ফেসবুক অ্যাপে প্রবেশ করুন

               প্রোফাইল সেকশনে প্রবেশ করুন

               থ্রি-ডট মেন্যুতে ক্লিক করুন

               “Unlock Profile” অপশনটি সিলেক্ট করুন, একটি পপ-আপ মেসেজ দেখতে পাবেন

               প্রোফাইল আনলক করতে Unlock প্রোফাইল এ ক্লিক করুন


ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার লক করা

প্রোফাইল পিকচার গার্ড নামক ফিচার ব্যবহার করে ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার লক করা যাবে। প্রোফাইল পিকচার গার্ড ফিচার চালু করলেঃ

               অন্য ব্যক্তিগণ আপনার প্রোফাইল পিকচার শেয়ার কিংবা সেভ করতে পারবেনা

               শুধুমাত্র আপনি ও আপনার বন্ধুগণ বর্তমান প্রোফাইল পিকচারে ট্যাগ করতে পারবেন।


ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার গার্ড ফিচারটি চালু করতেঃ

               ফেসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগিন করে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন

               প্রোফাইল পিকচারে ট্যাপ করুন

               অপশনস ওপেন করুন

               “Turn on profile picture guard” এ ট্যাপ করুন

               এরপর Save অপশনে ট্যাপ করে প্রোফাইল পিকচার লক সম্পন্ন করুন


প্রোফাইল পিকচার গার্ড ফিচারটি বন্ধ করার নিয়মঃ



 

               ফেসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগিন করে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন

               বর্তমান প্রোফাইল পিকচারে ট্যাপ করুন

               অপশনস ওপেন করুন

               “Turn off profile picture guard” অপশনে ট্যাপ করুন

               YES অপশন সিলেক্ট করে প্রোফাইল পিকচার গার্ড ফিচারটি বন্ধ করে দিন

 #how to unlock Facebook

 আই লাভ ইউ 'ফকিন্নি'র পুত'





























রিকশা চালক থেকে দিনমজুর, সব শালা 'ফকিন্নি'র পুত'।
ঘুষখোর থেকে টাটকা টাকাওয়ালা, সব ভাই 'ভদ্রলোক'।
যখন ভদ্রলোকগন, এ শহরের রাস্তায় মুখগুজে পড়ে থাকা
লাশকে সযত্নে সাইড করে, গাড়ি হাঁকিয়ে চলে যান।
তখন শালার 'ফকিন্নি'র পুতরা'ই কিন্তু আপনার ভরসা।
প্রায় প্রতিদিনই এই 'ফকিন্নি'র পুতরা' রাস্তায় পড়ে থাকা
দুই একপিস লাশ মর্গে নিয়ে যান...।
এই শহরে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রহরী হচ্ছে 'কুত্তার বাচ্চা'
ছিনতাইকারী থেকে শুরু করে চোর ছেচড়া প্রত্যেকেই
এখনো ভয় পায় রাস্তার কুত্তার বাচ্চাদের।
আমি আপনার প্রতি যতটা কৃতজ্ঞ, তার থেকে অনেক বেশি
এই সব ফকিন্নি'র পুত আর কুত্তার বাচ্চাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

তোমাদের মত পাহাড় কিনতে চাই না
পাহাড় বড় রুক্ষ, নদীও কিনতে চাই না
প্রিয়তমা কি খুশি হয় পাহাড় নদী দিলে?
আমি তোমার জন্য চলে যাবো কালুখালী
একটি একটি করে বুনে দেবো ধান
তোমার নামে কুসরডাঙ্গির বিলে।
সবুজ মাঠ ক্রমেই পরিণত হবে সোনালী
ধানের শীষের মত দোল খাবে তোমার চুল
আমার আওলা বাতাসে,
আমি ক্ষেতের আইলে হাটু গেড়ে বসে
অপলক দেখি ধান ক্ষেত, দেখি তোমাকে
তুমি বেঁচে থাকো আমার বিশ্বাসে।
তুমি হবে আমার ধানক্ষেত
তুমি আমার উত্তাল ঢেউ খেলা নদী
তুমি আমার বাতাসে দোলা হিজল গাছ,
তুমি হবে আমার জলকেলী ডাহুকী
তুমি আমার রাতে ডাকা ঘুঘু পাখী
তুমি হাটুজলে খেলা করা প্রিয় খলিসা মাছ।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by Jason Morrow. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget