[Poem][newsticker]
2018

মানিব্যাগে ছিল ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সির ক্রেডিট কার্ড, ডেভিট কার্ড, আইডি কার্ড.... আর ভ্রমনের সমস্ত টাকা। অটোর ভাড়া দিতে গিয়ে মানিবাগটা অটোতে ফেলে রেখে নেমে পড়ি। এরপর হেটে হেটে অনেকটা পথ চলে গেছি। হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার পকেটে মানিব্যাগ নেই!!! কি সর্বনাশ! তাহলে হোটেল ভাড়া দেবো কি করে? কেমন করে খাবার খাবো? কিভাবে দেশে ফিরবো??? নানা দুশ্চিন্তায় মাথায় চক্র দিয়ে উঠলো! মানি ব্যাগে এতোগুলো টাকা রয়েছে, কেউ পেলে ফেরত দেয়ার সম্ভাবনা একেবারই নেই। তাছাড়া অটো চালকের নাম বা তার গাড়ির নম্বর কোন কিছুই জানা নেই!! তাহলে কেমনে কি করবো। কিভাবে খোজ পাবো সেই অটো চালকের। শুধু অটো চালকের মুখের আদলটা মনে আছে। এই মনে থাকা দিয়ে এতো বড় শহরে কাউকে খুজে পাওয়া সম্ভব নয়। পুলিশের কাছে অভিযোগ দেবারর মত তথ্য নেই আমার কাছে। আমি শুধু বলতে পারি আমার মানিব্যাগ অটোতে হারিয়ে গেছে, ঘটে গেছে আমার সবর্নাশ.... শেষমেস চলে গেলাম ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে। যাবার সময় মাথা হাজার চিন্তা ঘুড়পাক খেলো। মানিব্যাগ কি ফিরে পাবো? নাকি টাকার লোভে সেটা কেউ মেরে দিয়ে অস্বীকার করবে? নানা আশপাশ চিন্তা করে মানিবাগ ফিরে পাবার আশা ছেড়ে দিয়েই ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে গেলাম। আমি চালককে চিনতে পারবো ভেবে চালক খুজতে লাগলাম। চালকের কোন পাত্তা নেই। তারপরও সামান্য আশা নিয়ে এক চালককে ঘটনাটা বললাম। ওই চালক বললো পাবার সম্ভাবনা নেই। হঠাৎ মাঝ বয়সি একজন চালক এসে আমাকে বললো কি হয়েছে আপনার। বললাম আমার মানিব্যাগ হারিয়েছি। তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন "আপনাকে বার বার কল দিচ্ছে, আপনি মোবাইল বন্ধ করে রাখছেন কেন? আপনার মানিব্যাগ বিশ্বজিতের কাছে আছে। তার মোবাইল নম্বরটা নেন, কল দেন " আমি এবার আকাশ থেকে পড়লাম। এওকি সম্ভব! আমার সামনে মাঝবয়সি লোকটা ওই চালককে কল দিলো। চালক জানালো ৫ মিনিটের মধ্যে সে স্ট্যান্ডে পৌছাবে। আমি এবার অপেক্ষা করতে লাগলাম। ৩ মিনিটের মধ্যে চালক এসে গেলো। আমাকে দেখে কি মিস্টি একটা হাসি দিলেন তিনি। আমার মনটা ভরে গেলো। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিলেন। আমি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরলাম। সত্যই বুকটা ভরে গেলো। এ যেন কোন মহামানবের স্পর্শ পেলাম। করলাম সম্মান, মানিবাগ খুলে বললাম যা খুশি যত খুশি নেন, ইচ্ছে করলে সব টাকা নিয়ে নিতে পারেন। তিনি নিলেন না। অবশেষে আমি নিজে তার খুশি হবার মত টাকা বের করে দিয়ে দিলাম। আনন্দ দুজনের মনেই জেগে উঠলো। মনে মনে ভাবলাম, দমিনিক ল্যাপিয়র যেভাবেই বলুক, যে ধরনের গল্পেই বলুক, আসলেই কোলকাতা
স্যালুট টু বিশ্বজিৎ দা ♥♥♥




মনরে, তুই চিনলি না
কে আপন? কে পর?
কোন মোহে রইলি ডুবে
বাড়লো দেনার ভার,
চেয়ে দেখ অন্তরের ভেতর
ছয় বাটপারের কারবার
আহা! রঙ্গিলা মন
আহা! রঙ্গিলা সংসার।


■ অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

কালারে কালা 
অঙ্গ দেইখা সঙ্গ নিলি
পরান চিনলি না
আপন হওয়ার পণ করিলি 
আপন হইলি না
বুঝলি নারে কালা
আমার অন্তরের জ্বালা।।

■ অরণ্য জুয়েল

মনে রঙের কারবার, সদাই চলে কাম বাসনা.......


মনরে, চেয়ে থাকলি রঙেরর পানে
রঙের আন্ধার চিনলি না
রঙ্গিলা মনে রঙের কারবার
সদাই চলে কাম বাসনা।।

মানব জীবন হয়রে বৃথা 
মন মানে না ভেদ কথা 
মনরে তুই চিনলি না মন
বুঝলি নারে আসল বাসনা...
রঙ্গিলা মনে রঙ্গের কারবার
সদাই চলে কাম বাসনা।।

গুরু বিনে মেলে কিরে 
শুদ্ধি পাবার জ্ঞান
পরের ধনে কেমনে হবি 
দ্বীনের মহাজন। 
মনরে তুই মরলি ঘুরে
জুড়াতে মন রসনা...
রঙ্গিলা মনে রঙ্গের কারবার
সদাই চলে কাম বাসনা।।

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল




আগুন, আগুন, আগুন জ্বলে
কেউ দেখেনা জ্বলছে কোথায়
ফাগুন দিনে আগুন জ্বলে
তোমার কথায়, তোমার ব্যথায়।

আগুন জ্বলে, আগুন বলে
প্রেম কি আর বিরহ মানে
থাকো তুমি আমার পাশে
জনম জনম তাকিয়ে রবো
তোমার পানে, তোমার পানে

ক্লান্তি সুখের খুনশুটি হোক
তোমার কানে, আমার কানে...

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

চুপচাপ বেচে থাকো কথা বলে লাভ কি?

ঘানি টেনে দিন শেষে
কাপুরুষ বলে বসে
চুপচাপ বেচে থাকো
কথা বলে লাভ কি?
মেনে নিলে সুখি হবে
ক্ষোভ রাখো বাকি।

কহে গুরুজন
সময়ের সমন
ভুল কিছু মেনে নেয়
চুপ থাকা নিরাবতা,
দূর্বলে মিশে গিয়ে 
বেচো কেন দৃঢ়তা ?

বাকি সব হয় নাতো
পুরাপুরি শোধ
ঘুনে খেয়ে মরে যায়
মানবিক বোধ। 

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

মৃত্যুকালে তার কোন বয়স হয়নি
অথচ জমে ছিলো কত কত ঋণ
মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো শুন্য
অথচ চেহারাটা ছিলো মলিন।

আমার খুব মলিন হতে ইচ্ছে করে
মলিন হয়ে কাদিয়ে দিয়ে 
তাবৎ কিছু থামিয়ে দিয়ে
লুকিয়ে পড়ি একার মত বহু দুরে।

বহুদুরে, বহুদুরে 
সবকিছূ নিরব করে
একদিন নিরব করে... একদিন নিরব হয়ে।

অরণ্য জুয়েল


ভালোবাসা হিসাব মানে না.....

তোর জন্য আমার এ মন
ভালোবাসায় বিভোর
তোর জন্য হৃদয় কাদে 
বুকে প্রেমের সরোবর।

তুইযে আমার কে
তুই নিজেও জানিস না
ভালোবাসা হিসাব মানে না।।

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

এযুগের চাটুকার.......

কর্তার খুব কাছে 
আগে ভাগে বসা চাই
না হলে ঠিক যেন 
বাড়া ভাতে পরে ছাই।

এরপর শুরু হয় 
তোষামোদি কারবার
কাজ ফেলে জুড়ে দেয়
অকাজের দরবার।

কি কথা বললেন
অফিসের বস
না বুঝে সেকথায়
ঢেলে দেয় রস। 

হাসিমুখে ডানে বামে
মাথাটা নাড়িয়ে
ঠিক মত তাল মারে 
গলাটা বাড়িয়ে।

দিনরাত চলে শুধু
মিথ্যার চাপা বাজি
প্রয়োজনে শুরু করে
পা চাটা কারসাজি। 

চাটুকারি নয় শুধু
আরো আছে ভেলকি
সুবিধা পেতে হলে
এক তেলে চলে কি?

জানে নাতো খুব বেশি
জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব করে
চাপাবাজি ধরা খেলে
গোবেচারা ভাব ধরে।

ডিগবাজি মারা তার
সময়ের কাজ
মূর্খের মগজে
জ্ঞানী গুনী সাজ।

নয় তারা কখনই
কিমভুত কিমাকার 
নাম তার যুতসই
এযুগের চাটুকার।

- অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

দহনকালের শেষে প্রিয়তমা তুমি ফিরবে.........

তোমার দিকে তাকালে 
বুকের ভেতর কি যেন হয়! 
তাড়া করে লোভ আর
ভালোবাসা না পাবার ভয়।

তবুও চোখ ফেরাতে পারি না
আমিও মানুষ, মাদকতা ঘিরে ধরে
মাথা ও মগজে, আমি একেবারই
নাদান, ভালোবাসার কারবারে।

তবে সত্য কথাটা কি জানো
একবারের প্রেমিকা জীবনভর 
প্রেমিকা হয়ে বেচে থাকে অন্তরে,
নিকষ কালো আঁধারে 
কেউ না দেখুক, কেউ না জানুক
সে ফিরে আসে বারে বারে।

তুমি ফিরবে, তুমি ফিরবে
এ হৃদয়ে, দহনকালের শেষে
প্রিয়তমা তুমি, ভালোবাসবে
আমার সম্মুখে এসে।

■ অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল


গল্পটা খুবই ছোট....


ছেলেটি ভিশন চাপা স্বভাবের। কিছুটা ভিতু টাইপেরও। মেয়েদের সামনে দাড়াতে আড়ষ্ট বোধ করে। সে এক মেয়েকে খুব ভালোবাসতো। তবে সে মনে করতো মেয়েটির হৃদয় জয় করার মত কোন যোগ্যতা তার নেই। তাই ছেলেটি লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েটিকে দেখতো। প্রোপজ ডে-তে তার এক বন্ধু ওই মেয়েটিকে প্রোপজ করতে চাইলো এবং তার সহযোগীতা দাবি করলো। ছেলেটি তার বন্ধুর কাছেও বলতে পারলো না, যে সে মেয়েটিকে ভালোবাসে। মনে কস্ট পেলেও ভাবলো তারতো যোগ্যতা নেই মেয়েটির মন জয় করার। অবশেষে রাজি হলো বন্ধুকে হেল্প করার। প্রোপজ ডে- বন্ধুর পক্ষ থেকে একটি প্রোপজ কার্ড আর একটি গোলাপ নিয়ে মেয়েটির কাছে গেলো। ফুল আর কার্ড হাতে ছেলেটিকে আসতে দেখে মেয়েটি ভিশন খুশি হয়ে দাড়িয়ে পড়লো। এবার ছেলেটি মেয়েটির সামনে দাড়িয়ে বলল, আমার বন্ধু এগুলো তোমাকে দিয়েছে। মুহুর্তেই মেয়েটি রেগে গেলো। তার রাগ দেখে ছেলেটি আরো ভয় পেলো। মেয়েটি রেগে চিৎকার করে বলে উঠলো-
তুমি অন্যের কার্ড নিয়ে এসেছো কেন? 
ছেলেটি পালানোর জন্য ঘুরে দাড়ালো। আর তখনই মেয়েটি খপ করে ছেলেটির হাত চেপে ধরলো। মেয়েটি অনুভব করলো ছেলেটির হাত কাপছে। তখন মেয়েটি বলে বসলো, তোমার বুকটাও কি কাপছে? ছেলেটি মাথা নিচু করে রাখলো। মেয়েটি তখন তার ব্যাগ থেকে একটা ডায়েরি বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো। এই ডায়েরিতে তোমার কথা লিখে আমাকে দিবা। 
-ছেলেটি আজও ডায়েরিটা স্বযত্নে রেখে দিয়েছে। মেয়েটিও প্রতিদিন ডায়েরিটা দেখে ছেলেটাকে বলে আজো লিখতে পারলে না। সন্তানরা বড় হলে তবে লিখবে?

©অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল


পেরেছো কি সবটুকু নিতে
যা দিয়েছিলাম উজার করে
লোক চক্ষুর আড়াল হয়ে
বলা না বলার দেয়াল চিরে।

অথচ তোমার অহমিকা আর
আভিজাত্যের তুলনার ভারে
তুমি নিজেই গিয়েছো সরে 
প্রেমময়তা থেকে দুরে।

ভালোবাসার বিপরীতে অভিযোগ
মানাই না বালিকা তোমার 
সব মিছে হয় অবহেলায়
গাছ ঢেকে যায় পরগাছায়।

বসন্তে ফুলেরো গাছ
নুয়ে পড়ে ভারে
বিনোদিনীর মনের কথা
কহিবে কাহারে? 

আসিলে যৌবনো কাল, মন ঘরে রাখা দায়
পিরিতি ধরিলে প্রাণ, প্রেম বিনে নাই উপায়।।

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

খোদা প্রেমে মন নাইরে
আছে দন্ডের ভয় 
নামাজ রোজা করলিরে তুই
বেহেস্তের আশায়।

লোভে-ভয়ে স্রষ্টা চিনলি
দয়াল রইলো অজানা,
তেলাওয়াতে সময় গেলো
না বুঝে রইলি দ্বীন কানা।

মনরে, কানার কি আর
মেলে মানিক রতন...
খোদা প্রেমে মজিলে মন
শুদ্ধ হয় তোর ভজন সাধন।।

দয়াল বলে ডাকিস তাঁরে 
দয়া পাবার আশায়
আশেক মাসুক না হলে
দয়া মেলে কোন উপায়।

লোভের পিছে, ঘুরলি মিছে
হইলিরে তুই লাভের মহাজন...
খোদা প্রেমে মজিলে মন
শুদ্ধ হয় তোর ভজন সাধন।।

@অরণ্য জুয়েল

খপ্পরে পড়িয়া সাধু
নস্ট হইয়া যাই
আলোতে বসিয়া কেন
অন্ধকার নামাই।
গুরু না চিনিলে মন হয়রে নিরুপায়।।

বিচলিত হয়যে মন
কোন প্রেমের আশায়? 
কার ভরসায় ভরা যৌবন
জলেতে ভাসায়...
গুরু না চিনিলে মন হয়যে নিরুপায়।।

জলেতে ভাসি আমি
জলেতে ডুবি,
জলজ খেলায় আমি
হইলাম জলছবি।

মন তুই রইলি ডুবে
প্রেম রতনের আশায়
হিসাবে বসিলে মন
হয়না প্রেমে উপায়...
গুরু না চিনিলে মন হয়যে নিরুপায়।।

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

হাটবে তুমি চাঁদের আলোয় 
ভিজবে দু'চোখ নোনা জলে
হয়তো অভিমান ফুরাবে না
আমার বিরহ স্মৃতির অনলে।

আজ তোমার স্মৃতির বন্যা
আনে আমার দু'চোখে কান্না
তুমি ফিরে এসো সুকন্যা।।

হয়তো লুকাবে তুমি 
হাজার প্রশ্নের মুখে,
হয়তো বাচবে তুমি 
অজাচিত মিথ্যা সুখে,
তবু কেউ জানবে না।
আজ তোমার ...ফিরে এসো সুকন্যা।।

কার বিরহ ব্যাথায় 
তোমাকে কুড়ে খায়
কোন সে যন্ত্রনা
তোমাকে করে আনমনা।
আজ তোমার...ফিরে এসো সুকন্যা।।

সব সুখে হয় নাতো 
সুখের বাসর,
কস্টের নোনাজলে 
স্বপ্নরা ধুসর,
সেই ধুসর স্বপ্নজুড়ে 
তোমার পদচারনা।

আজ তোমার স্মৃতির বন্যা
আনে আমার দু'চোখে কান্না
তুমি ফিরে এসো সুকন্যা।।

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল

Journalist | Poet



Amir Muhammad is a Bangladeshi journalist and poet, He Covering and focusing on Crime, ACC, ICT, and Financial Crime. He completed his graduation in Pure Physics from National University in 2004. 

 Amir began his journalism career in Kushtia at 1997, Now Work for renowned daily's in Bangladesh The Daily 'ITTEFAQ as staff reporter. He also writter and Blogger.
 He recently elected as office Secretary for the Dhaka Union of Journalist, its a professional trade union of journalist based in Dhaka, Bangladesh. The union monitors freedom of speech and violence against journalists in Bangladesh.

 All articles of blog posts, photography, poetry copyrighted to amir muhammad. Use without permission of the author is strictly prohibited. If you have any queries regarding publishing or re-publishing any of her work, please contact him here.

সাজ পোষাকে সাধু হইলে
অন্তরেতে অন্তঃসার
কামের টানে খুব গোপনে
তোমার অভিসার
মনরে, ভেতর বাহির
লোভেরই কারবার....

হৃদকালামে খুটি গাড়ো
সাধু সাজার নাই দরকার।।

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল


এই বাংলার মাটি আমার হৃদয়ে
এই বাংলার মাটি আমার বিজয়ে 
এই বাংলার মাটিতে জন্মেছি আমি,
বাংলা আমার মা, আমার জন্মভুমি।। 

কত গর্বের ধন বাংলা আমার
কত মায়াভরা তার প্রান্তর
কত সাধনায় পেয়েছি বাংলা
আমি জানি কত সে দামি
বাংলা আমার মা, আমার জন্মভুমি।।

বাংলার সুরে গেয়ে যাওয়া গান
জাগিয়ে তোলে শত মন প্রাণ
এক হয়ে দাড়াই হিন্দু-মুসলমান
কথা দেই মা, শত্রুমুক্ত থাকবে তুমি
বাংলা আমার মা, আমার জন্মভুমি।। 

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল


আমি শুধু পড়ি
কখনও তার ভাজে
কখনও তার প্রেমে,
পড়তে পড়তে
কখন যে চলে গেছি 
গভীর গহীনে নেমে,
সে কথা নিজেই গিয়েছি ভুলে
আজ আমি তার গভীর অতলে।

আমার উঠতে ইচ্ছে করে না
ডুবে থাকার গভীর ধুনে
প্রহরের পর প্রহর গুনে
তার বিহনেই থাকি আনমনা।

তবু কি সে জেনেছে
আমার বুকের ক্ষত,
কোন বিরহ আগুনে
পুড়ে যাই অবিরত।

কার অবহেলায় আমার
চোখ জুড়ে নোনা জল,
আমি কার অবজ্ঞায় 
কান্নায় বিহবল,
কেন আমি ছোট হতে হতে
খাটো হয়ে যাই?
সেকি বোঝে নাই? 

অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল


কন্ঠজুড়ে শুধুই স্লোগান.....

সুধী মন্ডলী, 
আজ কবিতা শোনাবার দিন নয়
আজ কয়েকটি কথা না বললেই নয়
যখন কন্ঠস্বর থেকে স্বাধীনতার অবক্ষয়
যখন বেনিয়ারা ফিরে আসে নতুন সাজে
অথর্নীতি আটকে পড়ে কর্পোরেটের ভাজে
তখন কে কারে শোনাবে ভালোবাসার গান
বন্ধুগন,
আজ কবিতা নয়, কন্ঠজুড়ে শুধুই স্লোগান।

কৃৃষক যখন সোনার ফসল বেচে
খাজনা দিয়ে নিজের জন্য 
বাধ্য হয়ে কেনে শোষন
আপনারা কি দেখতে পান না
তার বুকজুড়ে, দাউ দাউ করে
জ্বলে ওঠে ক্ষোভের আগুন
তখন কে তারে শোনাবে ভাষন? 

যখন চারিদিকে হুঙ্কার করে 
বেজে ওঠে ধর্মান্ধতার দামামা
সেটা থামাতে করের টাকার পুলিশ
জঙ্গির কাছে হাতজোড় করে চেয়ে বসে ক্ষমা
তখন কে বসে শুনবে প্রেমের গান
বন্ধুগন,
আজ কবিতা নয়, কন্ঠজুড়ে বেজে উঠুক স্লোগান।

এখানে শুক্রবার আসলেই ভেঙ্গে যায় স্বপ্ন
বেকার ফিরে যায় তাচ্ছিল্যের সংসারে,
যখন বুক ফেটে যাওয়া আর্তনাতে
মেনে নিতে হয় প্রেমিকার দুরে সরে যাওয়া
তখন কে নিরবে বসে থাকতে পারে?

যখন বাম রাজনীতির দূর্বার যুবক
ঝড়া পাতার মত উড়তে উড়তে
পরে থাকে দূর্নীতিবাজ আমলার পায়ে
তখন কি লাভ মিথ্যা স্বপ্নের গান গেয়ে
কেউ কি পারে বেমালুম ভুলে যেতে
তার করা অশ্রুতে গড়া ইতিহাস
চোখের সামনে বেনিয়াদের উদোম নৃত্য আর পরিহাস
কে পারে সেটা মেনে নিতে ভুলে মান-সম্মান
বন্ধুগন,
আজ কবিতা নয়, কন্ঠজুড়ে বেজে উঠুক স্লোগান।
......

কন্ঠজুড়ে শুধুই স্লোগান কবিতার খন্ডিত অংশ।
অরণ্য জুয়েল #অরণ্য_জুয়েল
#কন্ঠ_জুড়ে_শুধুই_স্লোগান

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by Jason Morrow. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget